ঢাকা শুক্রবার, ৩রা ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ২২শে মাঘ ১৪২৯


ঢাকা বিভাগের শ্রেষ্ঠ ‘জয়িতা’ পুরস্কার পেলেন মমতাজ বেগম


৫ জানুয়ারী ২০২৩ ২৩:৫৪

আপডেট:
৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ০৭:১৮

সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখায় 'জয়িতা' পুরস্কারে ভূষীত হলেন নারী উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নের মূর্ত প্রতীক জয়িতারা। কেবল নিজেদের অদম্য ইচ্ছাকে সম্বল আর চরম প্রতিকুলতাকে জয় করে জয়িতারা তৃণমূল থেকে সবার অলক্ষ্যে সমাজে নিজেদের জন্য জায়গা করে নিয়েছেন। তারই ধারাবাহিকতায় ‘জয়িতা’পুরস্কার পেলেন ঢাকার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মমতাজ বেগম। এর আগে তিনি জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ জয়িতা পুরুস্কার পান। আজ বৃহস্পতিবার (৫ জানুয়ারি) বাংলাদেশ শিশু একাডেমির সভাকক্ষে “জয়িতা অন্বেষণে বাংলাদেশ” শীর্ষক ঢাকা বিভাগের শিক্ষা ও চাকরি ক্ষেত্রে শ্রেষ্ঠ জয়িতা মমতাজ বেগমের হাতে এ সম্মাননা তুলে দেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা।

এছাড়াও ঢাকা বিভাগের আরও ৪ জনকে সম্মাননা দেয়া হয়েছে। সম্মাননাপ্রাপ্তরা হলেন, অর্থনৈতিকভাবে সাফল্য অর্জনকারী নারী ক্যাটাগরিতে ফরিদপুরের শাহীদা বেগম, সফল জননী ক্যাটাগরিতে শরিয়তপুরের লুতফন নেছা, নির্যাতনের বিভীষিকা মুছে ফেলে নতুন উদ্যমে জীবন শুরু করা মাদারীপুরের রাজিয়া সুলতানা এবং সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখায় নারায়ণগঞ্জের জেলার সনু রানী দাস। ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার মো. খলিলুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মু. হাসানুজ্জামান কল্লোল , মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ফরিদা পারভীন।
শিক্ষা ও চাকরি ক্ষেত্রে ঢাকা বিভাগের শ্রেষ্ঠ জয়িতা মমতাজ বেগম শরীয়তপুর জেলার ভেদরগঞ্জ উপজেলার রামভদ্রপুর ইউনিয়নের বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মোতালেব সরদার ও আলেয়া বেগমের দ্বিতীয় সন্তান। বর্তমানে তিনি ঢাকা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব ও নারায়ণগঞ্জ জেলার রুপগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী অফিসারসহ বিভিন্ন কর্মস্থলে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন।
এ বিষয়ে মমতাজ বেগম বলেন, বিভিন্ন প্রতিকূলতাকে পাশ কাটিয়ে নারীদের এগিয়ে যেতে হবে। নারীরা সমাজে পিছিয়ে থাকলে সেই সমাজ কখনই মাথা তুলে দাঁড়াতে পারে না। সমাজ ও দেশকে এগিয়ে নিতে হলে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সবাইকে এক হয়ে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। জয়িতা পুরস্কার দেওয়ার কারনে সমাজে নারী-পুরুষ সমানভাবে কাজ করার আগ্রহ বাড়বে। পুরস্কার মানুষকে কাজের উৎসাহ যোগায়। আশা করি এই পুরস্কার আমাকে অনুপ্রেরণা যোগাবে।