ঢাকা বুধবার, ২৯শে মে ২০২৪, ১৬ই জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১


রিক্রুটিং এজেন্সির ২৫ লাখ টাকা নিয়ে উধাও, প্রতারক সবুজ কে খুঁজছে পুলিশ


২০ নভেম্বর ২০২৩ ০১:০১

আপডেট:
২০ নভেম্বর ২০২৩ ০১:০৫

রিক্রুটিং এজেন্সির ২৫ লাখ টাকা নিয়ে উধাও, প্রতারক সবুজ খুজঁছে পুলিশ

গাজী ওভারসীজ নামের একটি রিক্রুটিং এজেন্সির প্রধান কার্যালয় থেকে ২৫ লাখ টাকা নিয়ে মাসুম বিল্লাহ সবুজ নামের এক কর্মচারী পালিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় রাজধানীর পল্টন থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, মাসুম বিল্লাহ সবুজ গাজী ওভারসীজে সিনিয়র এক্সিকিউটিভ হিসেবে কর্মরত ছিল। তিনি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও গ্রাহক থেকে পাওনা টাকা সংগ্রহ করে গাজী ওভারসীজের হিসাব শাখায় অথবা ব্যাংকের নির্দিষ্ট হিসাব নম্বরে জমা দিত। অপরদিকে পাওনাদারদের কাছে টাকা বুঝিয়ে দেওয়ারও দায়িত্ব পালন করতেন।

গত ৪ অক্টোবর একজন গ্রাহককে দেওয়ার জন্য গাজী ওভারসীজের সুবজকে ২৫ লাখ টাকার চেক দেন। (ডাচ-বাংলা ব্যাংকের ১০ লাখ টাকার চেক নম্বর-১৯৬৯৩২৩ এবং ইসলামি ব্যাংকের ১৫ লাখ টাকার চেক নম্বর- ৬৩৪৪০৭৯)। দুটি চেক ব্যবহার করে সবুজ ব্যাংক থেকে ২৫ লাখ টাকা উত্তোলন করে। সেই টাকা গ্রাহককে না দিয়ে নিজের হেফাজতে রাখেন এবং ৬ অক্টোবর থেকে অফিসে অনুপস্থিত থাকেন।

পরবর্তীতে পাওনাদার আলাউদ্দিন রিক্রুটিং এজেন্সির কাছে পাওনা টাকা চাইলে বিষয়টি নজরে পড়ে। প্রতিষ্ঠান থেকে সবুজকে ফোন করা হলেও তিনি কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি। পরবর্তীতে রিক্রুটিং এজেন্সির কর্মকর্তারা সবুজের যশোরের গ্রামের বাড়িতে যোগাযোগ করলে তার পরিবার ও স্বজনরা টাকা উদ্ধার করে দেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে সবুজ ৭ দিনেও টাকা ফেরত না দিয়ে পুনরায় গা ঢাকা দেয়।

টেলিফোনে একাধিক বার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তাকে না পেয়ে গত ১৫ ই নভেম্বর পল্টন থানায় মামলা করেন গাজী ওভারসীজের স্বত্বাধিকারী রিপন গাজী।

এ বিষয়ে রিপন গাজী বলেন, ২৫ লাখ টাকা নিয়ে উধাও হওয়ার পরেও সবুজ গাজী ওভারসীজের বিভিন্ন গ্রাহককে কল দিয়ে পূর্ববর্তী ভিসার টাকা চাচ্ছেন। এছাড়াও তার আরও অনেক প্রতারণার বিষয়ে অভিযোগ এসেছে। আমরা সেই বিষয় নিয়ে আমাদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজে সবাইকে সতর্ক করেছি এবং আইনের আশ্রয় নিয়েছি।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত মাসুম বিল্লাহ সবুজ বলেন, আমি এ ধরনের কোনো প্রতারণার সাথে জড়িত নই। এসব চেকের টাকা আমি অফিসে জমা দিয়ে চাকরি ছেড়ে দিয়েছি। তবে টাকা জমা দেওয়ার কোনো প্রমাণ আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, টাকা জমা দেওয়ার কোনো প্রমাণ আমার কাছে নাই।

এ বিষয়ে পল্টন থানার ওসি তদন্ত জানান, একটি এজাহার জমা পড়েছে। আমরা বিষয়টি দেখছি। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।